Showing posts with label Personal. Show all posts
Showing posts with label Personal. Show all posts

Friday, January 09, 2009

Fantasy-I

কবি-কৃতীর দেশ

কোন এক কালের কথা। নগরের নাম ইন্দ্রপ্রস্থ। সেই নগরের পাশে এক নদী। নদীর পাড়ে এক বাড়িতে বাস করেন কবি। আমাদের দেশের বর্তমানের কবি কী করে ভুলে যান। একশ দুশ বছর আগের কবি কী করেছেন তাও ভুলে যান। ভুলে যান বাল্মীকি-কালিদাস-হোমার। সে এক অন্য কালের কথা বলছি। বলছি অন্য এক যুগের কথা। এমনকি সামনের যুগের সাইবার-ওয়েফার-ভার্চুয়াল কবিদের কথাও মনে আনবেন না। তাহলে এ কবি কোন যুগের?

কোন যুগের জানিনা তবে এই কবির কথা বলতে পারি। কবির ঘর আছে। নগরের সকলেই জানে নদীর ওপাশটায় কবির বাস। নগরে যেমন কামারের ঘর, দর্জির ঘর, গোয়ালার ঘর, ধোপার ঘর তেমনি আছে কবির ঘর। এ এমনই এক যুগ। বলবেন এরকম তো আছেই। আমাদের পাড়ায়ও এক কবি আছে। সকলেই চেনে। আমাদের পাড়ায়ও বিভিন্ন পেশার লোক আছে আর কবির ঘর বললেই তো সকলে ঐ চিলেকোঠার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ঈর্ষায়, বিরক্তিতে ভ্রূ কুচকায়। না এযুগের কবি বিরক্তির নয়। এ যুগের কবি ভিন্ন। জেলে যেমন জেলে, তাঁতী যেমন তাঁতী, গোয়ালা যেমন গোয়ালা এ যুগের কবি তেমনি কবি। তাই তার আছে ভিন্ন পরিচয়।

ভাবছেন এ আবার কী কথা? জেলে তাঁতীর মতো কবি? হ্যাঁ ঠিক তাই। এ যুগটাই এমন; কবিরাও যেমন। এই কবি না সিনেমার নায়ক, না বিজ্ঞাপনের মডেল, না বড় কোম্পানীর চাকুরে।

ভাবছেন এওবা কেমন কি। আমাদের আকবর রাজাতো তার সভায় কবি পুষতেন। আমাদের কত বাদশাহ সুলতানের আমলে তাদের দরবারে কবিরা থাকত। কবিদের জন্য ভাতা ছিল, রাজদন্ড ছিলো, কবি-অর্ঘ্য, কত কি!

না আপনাদের ঐসব যুগের কবিদের মতন নয়। যুগটাই অন্য, কবিরাও ভিন্ন। ভাবছেন পেশাদার কবিদের কথা বলছি। ভাববারই কথা। আপনাদের আছে পেশাদার শিল্পী, পেশাদার বৈজ্ঞানিক, পেশাদার শিক্ষক আরো কত কি। পেশাদার বাবা-মা বানানোর আগেই আপনারা পেশাদার কবি বানাবেন, এটা আপনাদের দ্বারাই সম্ভব।

পেশাদার মানুষ যেমন সম্ভব না, তেমনি সম্ভব না পেশাদার কবি।

যে যুগের কথা বলছি, সে যুগে-

কবি সমাজেই আছেন। সমাজের মানুষের মাঝে। ছেলে বুড়ো থেকে সৈন্য-সিপাহী, ঝাড়ুদার- মুর্দাফরাস, এসকর্ট মাদকাসক্ত, সকলের সাথে কবির বসবাস। সবাই কবির কাছে আসেন। জীবনে একবার নয়, বছরে নয় কবি তাদের প্রায় নিত্য প্রয়োজনীয়- যেমন কৃষক-কামার-কুমার। এই আশ্চর্য অনুভুতিময় মানুষেরা নিজেরাই কবির কাছে আসেন। যেমন আমরা যাই, ক্যারিয়ার কনসালটেন্সীর জন্য, উকিল-ডাক্তারের কাছে, ইত্যাদি ইত্যাদি।

সেদিন ওপাড়ার ছেলেটা পঁচা শামুকে পা কেটেছে। সবাই দৌড়ে নিয়ে গেল ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার সেলাই ব্যান্ডেজ করে দিলেন। এরকমই এ নগরের, এই যুগের মানুষেরা দৌড়ে যান কবির কাছে।

আপনারা বলবেন, না আমরা কবির কাছে যাবো না। অন্তত দৌড়ে যাবার তো কথাই আসে না। আমাদের ঘরে যেমন আমরা আয়োডিন, কাঁচি , গজ রাখলে শামুক কাঁটা পা নিয়ে ডাক্তার লাগে না, তেমনি যাবো না কবির কাছে।

আমি বলি কি আমার কথাটা মেনেই নিন। আপনাদের যুগের কথা বলছি না। এ যুগের মানুষ বড় আশ্চর্য অনুভূতির, বড় অদ্ভুত সে দেশ, কবি-কৃতীর দেশ। আপনাদের চেয়ে ঢের বেশি প্রখর তাদের সংবেদন। আপনাদের বড় জোড় রোদ-ঝড়-বৃষ্টি অথবা সুর্যোদয়-সুর্যাস্তে কবিকে প্রয়োজন হয়। বাহুলগ্না প্রেমিকা- একুশে ফেব্রুয়ারি- বৈশাখীমেলা আপনাদের কবিতা যোগানোর দিন। এ যুগ এমনটা নয়।

এ যুগের মানুষের অবিরাম অজস্র অনাবিল অনুভুতি- আর কবিরও অদ্ভুত কাজ। সবগুলি অনুভুতি-সংবেদনের নাম দিতে হয়। তারা আসে। কবি তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। শুনে বোঝার চেষ্টা করেন ঠিক কোন অনুভুতির নাম জানতে তারা এসেছেন। কবির ভান্ডারও অফুরন্ত। একটা না একটা নাম মিলেই যায়। মানুষগুলো সেই নামগুলি শিখে খুশি মনে বাড়ি যায়। অপূর্ব সন্তুষ্টিতে। কবি কাঊকে কোনদিন ফিরিয়ে দেন নি।

আপনাদের তো শত অভিযোগ; বিশেষত কবির বিরুদ্ধে। ঠিক যেমন আপনারা মাছ বাজারে পঁচা মাছ পেলে জেলেকে শাসান, তরকারিতে মশলা কম হলে বাবুর্চিকে, এমনকি নেটওয়ার্ক খারাপ হলে মোবাইল অপারেটরগুলিকে। কবিকে কি আপনারা একই ভাবে দোষেন? মনে হয় না। আপনারা কবিকে চিনলে পরে তো কবির দোষ ধরবেন।

আপনারা বলেন কবি দুর্বোধ্য। অস্পষ্ট। বিভ্রান্তিকর। আমি বলি, আপনাদের এমনিতেই কি বিভ্রান্তির শেষ আছে? ডান বান, পূর্ব-পশ্চিম ঠিকঠাক জানেন তো? অস্পষ্ট আপনাদের আইন। দুর্বোধ্য আপনাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের রীতি-নীতি, এমনকি বিভ্রান্তিকর আপনাদের ভাষাও। এর মাঝে কবি জন্য নতুন কী ভ্রান্তির?

ভাবছেন, আদিখ্যেতা করি কবিকে নিয়ে। তবে সংক্ষেপে বলিঃ

এক যুগের কথা। ইন্দ্রপ্রস্থ নগরের কবি। কবির বাড়ী। বাড়ীর পাশে নদী। কবি একা। কবি একা। কবি একা।

Sunday, January 04, 2009

From Scraps: Edgar Degas

Why do men live? For any purpose or any destination? GOD?? I dont know....

Today I have read a story of Leo Tolstoy named "Father Siorgi" and i found a scrap of mine of 2000, the most devastating year in my life....I cant recall the scrap, no ways. Why I had written that???

here is it :

[বিশ্বাশীনতার মধ্যে থাকার চেয়ে ভ্রান্ত বিশ্বাসকে আকড়ে ধরে বাঁচা শ্রেয়]
#ইম্প্রেশন আর্টিস্ট এদগার দেগা(Edgar Degas) তার প্রায় সব ছবি দৈনন্দিন জীবনের দৃশ্য হতেই আঁকতেন। তবে তিনি কখনো সুন্দরী মেয়ের ছবি আঁকতেন না। তার মতে এতে দর্শকেরা ছবির গুনাগুন বাদ দিয়ে মেয়েই দেখতে আরম্ভ করে।

মে,২৪ - ২০০০

Monday, December 15, 2008

The "spring" from muse






Sensation
Arthur Rimbaud

On blue summer evenings, I'll go down the paths,
Getting pricked by the wheats, walking on thin grass:
Dreamer, I'll feel its freshness at my feet:
I'll let the wind bathe my bare head.

I won't speak, I won't think about anything:
But infinite love will rise in my soul;
And I'll go far, very far, as a bohemian,
Into Nature, — blessed as if with a woman.


====================================

This poem – written in March 1870 - was first published in the poems collection entitled Le Cahier de Douai. Rimbaud revised it in his letter to Theodore de Banville (May 24, 1870). Strangely, the then 16 years old young man declares to be 17:

“We are in the months appropriate for love; I am seventeen. The age of hopes and illusions, as they say, — and here that I started, child touched by the Muse's finger, — sorry if it's banal, — to say my good beliefs, my hopes, my sensations, all these poets' things — me, I call this 'spring'.”

Another poet, Felix Leclerc — also songwriter and singer from Quebec, Canada —, adorned this poem in his song called Sensation, which reflects great sensibility.


source : 1

রেবেকা


অয়ি মন্মথ!

আয় নেমে সখা

আয় দেবি আফ্রোদিতি!

কবিতা হলো সিন্যাল মাগীর মতন

বাসর ঘরেও ঘোমটা দিয়ে ঢোকে

শুধায়ঃ মর জ্বালা, কিসের নাগর?


যাচ্ছ কোথায়?

পজ্ঝটিকা বাঁধবে তোমায়

যত দুর্যোগরাত্রি, দুজনে জলের বাঁধ ঠেকালে-

অনাহার, অর্ধ-আহার

কে তোমার প্রেয়সী?


দুদন্ড শান্তি দিলিনা বেশ্যামাগী?

শুধায় মর-জ্বালা-কিসের-নাগর?


আরো রাত জাগো, আরও ঘুম খাও

বিচিকলা খেয়ে পেট ফুলিয়ে

অতঃপর লাভ হবে-

মোটা আর্কাইভ, গবেষণাকেন্দ্র

বিশ্ববিদ্যালয়, মুখের গালি মীরজাফর


ধন্য মীরজাফর!

তবু তো সকাল সন্ধ্যা স্মরণ করি,

মর-জ্বালা, কিসের নাগর?

১৩.১২.২০০৮

Friday, October 24, 2008

অ স চে ত ন তা

তীব্রভাবে অসচেতনতা টের পাচ্ছি বা অনুভব করছি বলাটা ঠিক হবে না। তার কারণ হলো, কার্যকারণ সুত্রের যথবিহিত শিক্ষানুযায়ী আমি প্রতিকারের চেষ্টা চালাতাম। এখন বলা যাক অনুমান করছি। মোবাইল ফোন ছিল পকেটে। আমি ছিলাম রিক্সায়। কল আসল। রিসিভ করার সময় ছিলো হাতে। এর পর কল কাটা পর্যন্ত মনে আছে মোবাইলটা হাতেই ছিল। কই গেল জানি না। প্রতিদিনই তো পকেট থেকে বের করি, আবার পকেটে রাখি। জিন্সের প্যান্ট, সুতি প্যান্ট, হাফ প্যান্ট, এমনকি লুঙ্গি পড়া অবস্থায়ও কখনো মোবাইল হারাই নি। কয়েকদিন আগে এক বন্ধু প্রায় হুবুহু একই কায়দায় মোবাইল হারাল কাঁঠালবাগানে। আমি হারালাম খিলগাঁও রেলগেটের পর। ঐ বন্ধুটিকে তিরস্কার করেছিলাম তার অসচেতনতার জন্য। গতকাল রাতে আমি তার চরম নিদর্শন দেখালাম। কি আর করার। নতুন সিম তুলতে হবে, সেটও কিনতে হবে। নম্বরগুলিও গেছে। ভালোই হলো বোধ হয়...

আমি একটা লেখা পড়ছিলাম পাভলভের উপর। আই. পি. পাভলভ। বস্তুবাদী শারীরতত্ত্ববিদ। লেখাটা রিফ্লেক্স নিয়ে। প্রতিবর্ত ক্রিয়া। সংবেদন আর প্রতিবর্তের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করেছেন পাভলভ। আমাদের মনের গাঠনিক অবস্থা ও ক্রিয়াকলাপের ব্যাখ্যা যদি পাওয়া যায়, আহা রে। ইন্দ্রিয় পেলাম ৫টা। ব্যবহার করে, সেই সাথে সংবেদন প্রণালীর ব্যবহার, তাও কি যা দেখছি, যা অনুভব করছি তার যথার্থ অনুবাদ করতে পারছি? অনুমান করি, তাও নিজের সচেতনতা ও সমন্বয়ের উপর প্রায় শতভাগ আস্থা রেখে। কথা বলি, শব্দ চয়ন করি, এমনকি অন্যের সাথে যোগাযোগ পর্যন্ত করি অনুমানের উপর। কতগুলি প্রকল্পের উপর, আবার যে প্রকল্পগুলি সম্বন্ধে আমি নিজেই নিশ্চিতভাবে জানি না, তাদের উপর ভিত্তি করে যুক্তি দাড় করাই, অনুকল্প দাঁড়িয়ে যায়, তা নিয়ে অহংকারও করি। বোধ হয় তাই নিয়ে বেঁচে আছি। রিফ্লেক্সের বড়াই আর স্মৃতির উপর আস্থা নিয়ে ভালোই চলছিল। কিন্তু গতকালের মোবাইল হারানো আমাকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

পাভলভের সুত্র জানি আর না জানি, এটা তো ঠিক যে আমি মনের গতিবিধি না বুঝলেও, এটা দাবি করি যে, যা ঘটছে তার ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অংশ যার প্রতি আমি মনোযোগ দিচ্ছি তার নিয়ন্ত্রণ আমার কাছেই। আবার প্রতিদিনের এই মোবাইল পকেট থেকে বের করা আর পকেটে রাখা সংক্রান্ত প্রতিবর্তটি যে এতদিনে খুব ভালোভাবেই রপ্ত ছিলো তাই নয়, সেই সাথে যুক্ত হয়েছিল এক আত্মবিশ্বাস যার উপর ভিত্তি করে বন্ধুটিকে লাগিয়েছিলাম ঝাড়ি। হায়রে কপাল।

বিভিন্ন বিষয় ও সেই সংক্রান্ত ধারণা নিয়ে প্রায়ই তো তর্কে জড়াচ্ছি বন্ধু-বান্ধব স্বল্প পরিচিত, এমন কি অপরিচিত লোকের সাথেও। কিন্তু যে সচেতনতার উপর ভর করে আমি শব্দ ব্যবহার করি, চিন্তা করি, ধারণাসমূহের লালনপালন করি, তার ভিত্তি কতটুকু, নাকি মোবাইল হারানোর পর যেমন প্রতিবর্তহীনতা এমনকি মোবাইল যে পকেটে নেই সেই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ব্যাপারটিও যে অতিন্দ্রিয় হয়ে উঠলো, তেমনি এক দিন টের পাবো আমার বিশ্ববিক্ষণের উপায়গুলিতেও রয়েছে অদ্ভুত মৌলিক দুর্বলতা। হায় রে। আমরা এমনই অসচেতন যে অসচেতনতা টেরও পাই না।

একটা সুফি গল্প মনে পড়ছে। দুই মাছ, এক মাছ তরুন সে উৎফুল্ল। আরেক প্রবীন নাস্তিক মাছ তাকে সাবধান করে বলছে, "তুমি এত উৎফুল্ল কেন? চারপাশে যা দেখছ, তার রঙিন সমুদ্র কি না, তুমি কি নিশ্চিত?" তরুন মাছ বলে, "আমি কি করে জানবো? আমি তো এই সমুদ্রের বাইরে কখনো যাই নি।" প্রবীন মাছ বলে, "না জেনেই তুমি এত আনন্দে? আগে জানার চেষ্টা কর, এর পর আনন্দ কর। নিচের দিকে চেয়ে দেখ।" তরুন মাছটি সমুদ্রের তলদেশের অন্ধকার দেখলো এবং বিভ্রান্ত হলো। আর কোনদিন সে সুখী হতে পারলো না। তার সমগ্র সচেতনতা দিয়েও সে এই মহাসমুদ্রকে বোঝার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো। যে সমুদ্রে সে বাস করে, তাকে সে সঠিক ভাবে অনুধাবন করতে অসমর্থ।

কোথায় যে আমাদের চিন্তায় সমস্যা, তা আমরা সঠিকভাবে জানতে পারি না বলেই আমরা একটা নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌছানোর পর চিন্তাকে আর প্রসারিত করতে পারি না। এমন কি যেসব শব্দ ব্যবহার করে আমরা চিন্তা করি তাদের সম্বন্ধেও আমরা সচেতন নই। ফলে আমাদের চিন্তার ফসল যেসব শব্দ, সেই সব শব্দের অসচেতন ব্যবহার ও শিক্ষা আমাদের চিন্তাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটা সময়ের পর হয়তো আসলে আমাদের মন আর "খালি খাতা" হতে পারে না। ভাষা চিন্তাকে ও চিন্তা ভাষা তৈরী করতে থাকে। বস্তু ও চেতনার এই চিরন্তন রহস্য আমাদের অসহায় করতে থাকে। আর এর মধ্যে যাও আমাদের বোধ তৈরী হয়, তার মধ্যে সমন্বয়ের আগেই আমরা আবিষ্কার করি আমাদের সীমাবদ্ধতা, সসচেতনতা। যার ফলে সত্যকে আমরা প্রথমেই ভুল ভাবে নিই। "seeing is believing" এই কথাটা তখনই সত্যি যখন আমরা যা দেখছি তা সচেতন ভাবে দেখতে শিখি এবং সমন্বয় করতে পারি প্রকল্পসমুহের সাথে।

Rhetoric - I



I remember the day that Shaila and Saikat invited us to their home and Shaila made a quick preparation of a dinner. Redwan, Ahsan, Shimul, Saad, Ashik attended that evening, if i am not missing anyone. Ahsan asked me what will i be doing in upcoming months?

I had joined the the teaching job then and seriously trying to find something for me, that suits me, and i could concentrate. I answered: I am planning....Its harder for me to write poems than to write computer programs, so i would not leave computer programming....

What was i pretending to tell him? In that moment it was a kind of modesty seemingly. was it? Meandering to the pride that i bring with me? huh!!! Even i dont know a single definition and living. I have a job, a family, few friends, and a country... i can't define me.

Read this article if you have any interest on poetry. Robert pinsky article from Slate.

I quote a bit from Yeats :

THE FASCINATION OF WHAT'S DIFFICULT

The fascination of what's difficult
Has dried the sap out of my veins, and rent
Spontaneous joy and natural content
Out of my heart. There's something ails our colt
That must, as if it had not holy blood,
Nor on Olympus leaped from cloud to cloud,
Shiver under the lash, strain, sweat and jolt
As though it dragged road-metal. My curse on plays
That have to be set up in fifty ways,
On the day's war with every knave and dolt,
Theatre business, management of men.
I swear before the dawn comes round again
I'll find the stable and pull out the bolt.

Tuesday, August 26, 2008

মাহমুদ দারবিশের কবিতাঃ অবরোধ কাল



অবরোধ কাল – মাহমুদ দারবিশ
(রামাল্লা, জানুয়ারি ২০০২)

এখানে পাহাড়ের ঢালের উপর,
গোধূলি আর সময়ের উদ্যত কামানের মুখোমুখি
ধ্বসে যাওয়া বিম্বদের বাগানের কাছাকাছি,
আমরা তাই করি যা বন্দীরা করে,
আর যা কর্মহীনেরা করে,
করে যাই কামনার চাষবাস।
***
একটি দেশ প্রস্তুতি নেয় ব্রাহ্মমুহূর্তের,
আমরা সম্মূঢ় হতে থাকি
আমরা যে কাছ থেকে দেখছি বিজয়ের ক্ষণঃ
আর কোনো রাতের মধ্যে রাত জ্বালাবে না শত্রুশেল
আমাদের শত্রুরা সতর্ক, তাই জ্বেলে দেয় আলো
পাতালঘরের অন্ধকারের ভেতর।
***
এখানে কোনো “আমি” নেই।
আদম খোঁজে তার মৃত্তিকার ধূলি।
***
মৃত্যুর সীমানায় দাঁড়িয়ে সে বলেঃ
আর কোনো হদিসের সন্ধানে হারাবো নাঃ
মুক্ত, আমি নির্বানের কাছাকাছি।
হাতের মুঠোয় আমার পরাহকাল
জীবনকে অতিক্রম করে গিয়ে,
আবার জন্ম নিব স্বরাট আর আশ্রয়হীন,
আমার নাম হবে আশ্বিনের আকাশের নীলের অক্ষরে।
***
তুমি, দরজায় দাঁড়িয়ে থেকো না, ভেতরে এসো,
আমাদের সাথে বসে পান করো আরবের কফি
তুমিও আমাদের মত করে মানুষ
তুমি, বাড়িগুলির সদরের পথে দাঁড়িয়ে থেকো না
আমাদের ভোরবেলাগুলিতে বের হয়ে এসো
আমরাও নিশ্চিত ভাবে
তোমাদের মত করে মানুষ!
***
যখন দিগন্ত হারিয়ে যায় চরাচর, সাদা, সাদা ঘুঘুর দল
উড়ে যায়, ধুয়ে দিয়ে যায় বেহেশতের গন্ডলেখা
অবারিত পাখায় ভরে করে দীপ্তি নিয়ে ফেরে, অধিকার নিয়ে
ইথার আর উৎসবের, উঁচুতে, আরো উঁচুতে, সাদা, সাদা ঘুঘুর দল
উড়ে যায়, আহা শুধু আকাশটাই যদি
সত্য হত [দুটো বোমার মধ্যে পড়া একজন আমায় বলেছিলো]।
***
সৈন্যদের পিছনে সাইপ্রেসবন, মিনারগুলি রক্ষা করে
আকাশটাকে পতনের আগে, ইস্পাতের ঘেরাও এর
পিছনে সৈনিকেরা পেচ্ছাব করে – একটা সতর্ক ট্যাঙ্কের
চোখ ফাঁকি দিয়ে, শরতের সুবর্ণ বিভ্রান্তি শেষ হয়
রবিবারের প্রার্থনা শেষের কোলাহলের মত চওড়া রাস্তায়…
***
[একজন খুনীর প্রতি] বন্দীর মুখটাতে চেয়ে দেখো
একটু সচেতন হলেই দেখতে, গ্যাস চ্যাম্বারে
তোমার মায়ের মুখ, রাইফেলের প্রয়োজন তোমার ফুরোতো,
তুমিও মত বদলে বলতেঃ এভাবে আর
খুঁজে পাওয়া যাবে না কারো পরিচয়
***
অবরোধ হলো প্রতীক্ষার কাল
অপেক্ষা হেলানো সিঁড়িতে বসে, বিক্ষুব্ধ ঝড়ের মাঝে।
***
একা, আমরা সবাই একা, তলানির মতো নীচে পড়ে
যদি না পাই সেই ইন্দ্রধনু অবকাশ।
***
এই চক্রবালের ওপারে আমাদের ভাইয়েরা আছে।
শ্রেষ্ঠ ভাইয়েরা। যারা আমাদের ভালোবাসে। তারা দেখে আর কাঁদে।
তারপর কানে কানে, একে অন্যকে বলেঃ
“আহা, যদি ঘোষণা আসতো এই অবরোধ…” তারা শেষ না করতেইঃ
“আমাদের পরিত্যক্ত করো না, আমাদের ছেড়ে যেওনা”।
***
আমরা হারাচ্ছিঃ প্রতিদিন দুই থেকে আট জন শহীদ
আরো দশজন আহত।
আরো বিশটা বাড়ি।
আরো পঞ্চাশটা জলপাই গাছ…
যুক্ত হয় এই নিরন্তর ধ্বংসের মাঝে
যুক্ত হয় কবিতায়, নাটকে আর অসমাপ্ত ক্যানভাসে।
***
মেঘের কাছে এক নারীর আকুতিঃ জড়িয়ে ধরো আমার প্রিয়তমকে
আমার সারা দেহ যে তারই রক্তে স্নাত।
***
প্রিয়, তুমি যদি বৃষ্টি না হও
তবে বৃক্ষ হও
ফলদ সন্তষ্টিতে, বৃক্ষ হও
প্রিয়, তুমি যদি বৃক্ষ না হও
তবে পাষাণ হও
আর্দ্রতার সম্পৃক্তিতে, পাষাণ হও
প্রিয়, তুমি যদি পাষাণ না হও
তবে চাঁদ হও
ভালোবাসার নারীর সুখস্বপ্নে, চাঁদ হও
[পুত্রের জানাজায় তার প্রতি এক মা]
***
হে প্রহরী, তোমায় কি ক্লান্ত করেনি
আমাদের জন্য প্রতিদিনের মরুপ্রতীক্ষা
আর আমাদের ক্ষতের মধ্যে জেগে উঠা বিকীর্ণ গোলাপ
হে প্রহরী,তুমি কি ক্লান্ত নও।
***
এই অসীম নীলের একটুকু ছোঁয়া
লাঘব করে দিতে পারে
এই সময়ের ভার
ধুঁয়ে দিতে পারে
এখানকার পাঁক।
***
কোথায় সে অস্তিত্ব, শীর্ষপতনের পর
নেমে এসে কোমল পায়ে
আমার পাশাপাশি, হাতে হাত, ঠিক যেমন, পুরানো
দুই সখা, যারা পবিত্র রুটি ভাগ করেছিলো
আর সেই পুরাতন পানপাত্রে সুরা
আবার এই পথে আমরা হেটে যাবো
এর পর আমাদের দিবসের দুটি ভিন্ন অস্তাচলেঃ
আমি রয়ে যাবো অন্তরালে, আর সে
ফিরে দখল নেবে তার পর্বতচূড়ায়।
***
আমার ধ্বংসের উপর বিম্বগুলি আহরিৎ
নেকড়েটা ঢলে পড়ে আমার ছাগলের গায়ে
আমারই মতন সেও স্বপ্ন দেখে, ফেরেশতারাও তেমনি
জীবন এখানে…ঐখানে নয়।
***
এই অবরোধের সময়ে, কাল স্থানে বদলায়
আবদ্ধ অসীমের ইন্দ্রজালে
এই অবরোধের সময়ে, স্থান কালে বদলায়
অতীত আর ভবিষ্যতহীন সময়।
***
শহীদের আত্মা আমাকে ঘিরে ধরেঃ প্রতিবার যখন আমি একটা নতুন দিনে পার করে যাই
আর আমাকে প্রশ্ন করেঃ কোথায় তুমি? অভিধানে ফিরিয়ে নাও
সব শব্দ যা আমাকে দিয়ে ছিলে
প্রতিধ্বনির কোলাহল থেকে নিদ্রিতকে মুক্তি দাও।
***

শহীদের আত্মা আমাকে আলোকিত করেঃ দিগন্তের ওপারে
আমি তাকাই নি
আমি যে ভালোবাসি জীবন, অমরত্বের সৌকুমার্য
আর এই পৃথিবীর উপর ডুমুর আর পাইনের গাছ
কিন্তু আমি তাকে ছুতে পারি না, তবু আমার শেষ সম্বলটুকু নিয়ে সেই লক্ষ্যে ছুটিঃ নীলিমার মতো প্রবাহিত শোণিতধারায়।
***
শহীদের আত্মা আমাকে সতর্ক করেঃ তাদের উচ্চকিত উচ্চারণে বিভ্রান্ত হয়ো না,
বিশ্বাস করো আমার পিতাকে, কান্নার সময়, আমার ছবির দিকে তাকিয়ে থাকেন
কিভাবে আমরা বদলেছি চরিত্র, হে পুত্র, আমার আগে কিভাবে চলে গেলে
আমি আগে, আমিই প্রথমে।
***
শহীদের আত্মা আমাকে ঘিরে ধরেঃ আমার বাসস্থান আর অযত্নের আসবাব, যা কিছু আমি বদলেছি
বিছানায় একটা গজলা হরিণ
আঙুলের উপর রেখেছি শুক্লপক্ষের নতুন চাদঁ
বেদনার শমতাকাঙ্ক্ষায়।
***
এই অবরোধে শেষমেশ আমরাও পরিপূর্ণ স্বাধীনতায় মেনে নেবো এক উদার দাসত্ব!
***
প্রতিরোধ হলো আপনার স্বস্থ হৃদয়ের আশ্বাস
অণ্ডকোষের স্বাস্থ্য আর তোমার প্রনিধানযোগ্য ব্যাধিঃ
কামনার ব্যাধি।
***
আর যতটুকু বাকী থাকে ভোরের, আমি হেটে যাই আমার বাইরে
আর যতটুকু বাকী থাকে রাত্রির, আমি শুনি আমার ভেতরের পদধ্বনি।
***
অভিবাদন তাদের যারা আমারই মতন অপেক্ষা করে
তীব্র মদিরতাময় আলোর, প্রজাপতির পাখায়,
এই সুড়ঙ্গের অন্ধকারের ভিতর।
***
অভিবাদন তাদের যারা আমার সাথে পানপাত্র ভাগ করে
শুণ্যতাকে দ্বিধাভক্ত করে পার হওয়া ঘনীভূত রাতঃ
অভিবাদন আমার অশরীরী আত্মাকে
***
আমার বন্ধুরা সর্বদা আমার বিদায় ভোজের প্রস্তুতি নিচ্ছে
ওক গাছের ছায়ায় প্রশান্তির সমাধি
সময়ের মর্মরে রচিত এপিটাফ
আর আমিও সর্বদা তাদেরকে জানাজায় দেখতে চাই
তাহলে কে মরেছে...কে?
***
কবিতা হলো একটা কুকুরের বাচ্চা, শুণ্যতা কামড়ায়;
কবিতা হলো শোণিতহীন আঘাত।
***
আমাদের কফির পেয়ালা, পাখি আর হরিদ্বর্ণ বৃক্ষ
নীলাভ ছায়ার নীচে, গজলা হরিণের ন্যায়
খেলা করে সূর্যটা, এ দেয়াল থেকে ও দেয়ালে
মেঘের নীহারবিন্দুগুলি আছে ঠিক সেই,
অনন্ত আকাশের যতটুকু বাকী আছে আমাদের জন্য।
আর যা কিছু বাকী আছে প্রলম্বিত অনুধ্যানে
বলে দেয় - এই সকালটা কত প্রবল, অনবদ্য;
আর আমরা মহাকালের সঙ্গী।

Wednesday, August 13, 2008

Feeling Nescient

I remember I was in class nine that it happened for the first time. I did not make any knowledgeable try then. But later I was acquainted with the materialistic ideas.

In Ramayana, one of the two greatest epics of the world, and of the Hinduism, in the "Ayodhya Kand" we find something very interesting. When Bharat fails to make anchorite Rama to give up his decision of abdication of kingship, Jabali, a learned bhamin and Sophist, counselor to his father previously tells something to Rama, which the poet(Valmiki) calls unrighteous. That man was probably athiest, showing the proof of atheism and materialism in ancient india.

Jabali says to Rama:

"...Who is related to whom? What is there to be obtained by anything and by whom? Every creature is born alone and dies alone...There is none who belongs to another...As one who passes the a strange village spends the night the and the next day leaves that place and continues his journey, so are mother, father, home and possessions to a man; they are but a resting place. The wise do not become attached to them...The father is only the seed of a being. The sperm and the ovum blend at the right time in the mother's womb, so that a human being is born in this world...Arrive at a conclusion, therefore, that there is nothing beyond this Universe. Give precedence to that which meets the eye and turn your back on what is beyond our knowledge." [Ramayana, Ayodhya Kand, Sarga:108]


Here is the paraphrased form of the ancient Carvak(চার্বাক দর্শন) philosophy in contemporary prose:

"Happiness is the highest end in life. There is no soul and no life after death. There is no world other than this world. Heaven and liberation from the so-called cycle of birth and death are imaginary ideals. Everyone will inevitably die. No one will be reborn. Therefore, one should make the best of one's life and live happily as long as one lives.

It is irrational to suggest that one should give up pleasures of life because they are mixed with pain. It is just like saying that we should throw away our finest grains because they are covered with husk and dust.

Earth, water, fire and air are the four elements. Consciousness, too, arises from these four elements only; just like intoxicating power arising from mixing together certain ingredients which themselves do not have intoxicating power.

There is no soul apart from body. When we say "I am fat" or "I am lean" attributes like fatness reside only in the body. Phrases like, "my body" are only significant metaphorically.

The hotness of fire and the coolness of water etc. are all natural attributes. Everything behaves according to its own nature and the variety in things comes from nature alone.

The Vedas are not revealed. Their authority should not be accepted. The authors of the Vedas were devoid of intelligence and honesty. Vedic sacrifices, ceremonies for the dead (shraddha), gifts to priests and other related rituals are useless and bear no fruit anywhere. They were created only as a means of livelihood for Brahmin priests."

Saturday, August 02, 2008

চক্র

আমার স্বপ্নে তুমি
ভালোবাসার প্রিয়তম প্রতিমা
অথচ দিনের আলোয়
কত কুৎসিত আমার মন
ঘৃণা করে যাই পৃথিবীকে
আপনার ধ্বংস উল্লোলে
আমি ভাসতেই থাকি
অলস একটা মৃত্যুকে
বরণ করি প্রতিদিন।


[ উৎসর্গঃ রোমেল ]

Friday, May 16, 2008

বিজ্ঞান, বিবর্তন, গুণগত পরিবর্তন ও দ্বান্দিক বস্তুবাদের কথা

ডারউইনের জন্ম দ্বি-শত বার্ষিকী পালন করবে ভ্যাটিকান এবং তাদের মতে আজ আর বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের কোন বিরোধ নেইএমনকি ভিন গ্রহের এলিয়েনদেরকেও তারা আজ নিজের ভাই বলে আগেই স্বীকার করছে তাদের ঈশ্বর সৃষ্ট ধরে নিয়েবিজ্ঞানের ভাষা আর ধর্মের ভাষা মূলত আলাদাআদতে কখনো ধর্মের সাথে বিজ্ঞান তার ভাষা দিয়ে বিরোধে যায়নিধর্মই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রতিটি ক্ষেত্রে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেধর্মের সাথে আসলেই যদি বিরোধ থাকে তবে তা দর্শনগুলির

গত সপ্তাহে আমি মাস্টার্সের ক্লাশ শুরু করেছিকোর্সের নাম বায়োইনফরম্যাটিক্স এলগরিদমসপ্রথম ক্লাসেই আমাদের অধ্যাপক ফাইলোজেনেটিক ট্রি এর উদাহরণ বোঝাতে গিয়ে পড়লেন বিপাকেফাইলোজেনেটিক ট্রি হচ্ছে প্রজাতিসমূহের এমন এক হায়ারার্কিক্যাল বিন্যাস; যাতে সময়ের সাথে প্রজাতিসমূহের বিবর্তন ও তাদের কোন সাধারণ পূর্বসুরি নির্দেশ করা হয়এ বিষয়টি পুরোপুরি না বুঝলে ধরে নিন এটি ডারউইন তত্ত্বের থেকে উদ্ভূত একটি এলগরিদম সংক্রান্ত বিষয়এখানে দার্শনিক বা নীতিগত একটি বিরোধে জড়িয়ে যেতে পারেন যে কেউবিষয়টি হলো ডারউইন তত্ত্ব বিশ্বাস করা আর এটি চর্চার মধ্যে

আমার মনে আছে তৃতীয় বর্ষে আমাদের যখন সম্ভাব্যতার সূত্র/মডেলপড়ানো হয়েছিলো তখনও দ্বন্দ্বে পড়ে গিয়েছিলেন আমাদের এক শিক্ষকউনি অবশ্য সদ্য পাশ করা লেকচারার ছিলেনজুয়াখেলা বা রুল্যেট হুইল থেকে ফ্রান্সে যে সম্ভাব্যতা গণিতের উদ্ভব এবং ইসলামে জুয়াখেলা নিষিদ্ধ, এ দুয়ে মিলে পড়াব কি পড়াব না”, “চর্চা করব কি করব নাদ্বন্দ্বে পড়ে যান তিনি

কিন্তু গতদিনের কথা একটু ভিন্নআমাদের এই সম্মানিত অধ্যাপক অনেক বেশি ঋদ্ধ ঐ আনকোরা প্রভাষকের তুলনায়তিনি উত্তর আমেরিকার একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি. এইচ. ডি. ডিগ্রি নিয়ে ফিরে এসেছেন বাংলাদেশেঅনেক বেশি দ্বন্দ্ব মোকাবেলা করেই তিনি এটি করতে পেরেছেনকারণ হিসেবে আমাদের মধ্যে থেকে তার ২-১জন প্রিয় ছাত্রকে তিনি বলেছেন, “পশ্চিমা ভোগবাদ আমার ভালো লাগে নিএছাড়া নানা সময়ে তার সান্নিধ্যে এসে আমি ও আমার সহপাঠীরা বিজ্ঞান ও গবেষণার বিষয়ে নানা পথনির্দেশ লাভ করেছি

যাই হোক ক্লাসে স্যার দেখাচ্ছিলেন একটা ছবিতাতে মানুষ আর গরিলা এই দুটি প্রজাতি কাছাকাছি এবং তাদের কোন পূর্বপুরুষ থাকতে পারে এরকম একটি সম্ভাবনা দেখানো হয়েছেআবার আরও অনেকগুলি প্রজাতির মধ্যেও এরকম কিছু সম্পর্ক দেখানো হয়েছেবিষয়টিকে এলগরিদমের ভাষায় ব্যাখ্যা করার পর স্যার বললেন, “এটিকে দার্শনিকভাবে যে কেউ অন্যভাবে নিতে পারেস্যার হয়ত নিজেকেই প্রবোধ দিলেনএক ভাবে দেখলে , “কোন ওষুধ গরিলার উপর ভালো কাজ করলে আর গরুর উপর কাজ না করলে ধরে নেয়া যায় এটি মানুষের উপর ভালো কাজ করতে পারেএর পর বললেন, আবার ডারউইনের তত্ত্বের বিশ্বাস করলে, “ধরো দুম করে একটা আওয়াজ হলো আর অমনি একটা বাঘ বিড়ালে পরিণত হয়ে গেলোকি অদ্ভূত বিরোধ বিবর্তনবাদের সাথে

উনি আমাদের অত্যন্ত প্রিয় শিক্ষকস্যার নিয়মিত নামাজী ও ধর্মাচারীকিন্তু ভাষিক-যৌক্তিক বিরোধের যে স্বরূপ উন্মোচিত করলেন আমাদের সামনে, তাতে আমরা বেশ মজা পেলাম এবং অনেকেই দেখলাম বিবর্তনবাদের অসারতা এবং ডারউইনের মূর্খতা সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে গেলো

মরগ্যান কিংবা তারও পূর্বে আমাদের পূর্বপুরুষদের ২-১ টা জীবাস্ম আবিষ্কৃত হয়েছেসেখান থেকে জানা গেছে যে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলির সবগুলি Homo sapiens নয়; Homo erectus বা এ ধরণের আরো প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছেএমনকি মরগ্যান এবং তার সমসাময়িক নৃবিজ্ঞানীরা যেসব ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন তা পরে প্রমাণিত হয়েছে বেশ কয়েকটি ফসিল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে

বিবর্তন ঘটতে হাজার-লক্ষ বছর লাগতেই পারেযেহেতু এটি একটি গুণগত পরিবর্তন তাই এটা ঘটাই স্বাবাবিকযেটা প্রতিনিয়ত ঘটে তা হলো পরিমাণগত পরিবর্তনআর উল্লম্ফনের মাধ্যমেই একমাত্র ঘটতে পারে গুনগত পরিবর্তনতাই দুম শব্দের কারণে হোক আর যে কারণেই হোক, গুণগত পরিবর্তন ঘটতেই পারে, আর তার জন্য প্রয়োজন বাহ্যিক কারণেও সাথে সাথে আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের বিকাশ ও পরিণতি

এবার শেষ করি দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর একটি বক্তব্য দিয়েঃ

অনেকে আছে তারা বিভ্রান্ত করতে চায়, ...বলা আছে, পানিতে পড়লে মাছ আর ডাঙায় পড়লে প্রানী, তারা বলে যদি অর্ধেক পানি আর অর্ধেক মাটিতে পড়ে তাইলে কি হবে? বলেন আপনারা এইটা কোন কথা হইল, এই ভাবে তারা বিভ্রান্ত করতে চায়, বলে এইভাবে চিন্তা করতে...এই ভাবে চিন্তা করলে কি বিশ্বাস থাকবো?...”

(ভাষা কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত)

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীও দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদকে সমালোচনার জন্য হলেও বোঝার চেষ্টা করেছেনযারা তার বিরোধিতা করেন তারা বোঝার চেষ্টা করলেই হত

Sunday, April 20, 2008

The Meaning of Meaning

All philosophy is a ‘critique of language - Wittgenstein

At last I found the book in the Public Library Department Govt. of Bangladesh. According to the authors, meaning is:


1. An intrinsic property.
2. An unique unanalyzable relation to other things.

3. The other words annexed to a word in the dictionary.
4. The connotation of a word.
5. An essence.
6. An activity projected into an object.
7a. An event intended
7b. A volition.
8. The place of anything in a system.
9. The practical consequences of a thing in our future experience.
10. The theoretical consequences involved in or implied by a statement.
11. Emotion aroused by anything

12. That which is actually related to a sign by a chosen relation.
13a. The mnemonic effects if a stimulus. Associations required
13b. Some other occurrence to which the mnemonic effects of any occurrence are appropiate.
13c. That which a sign is interpreted as being of.
13d. what anything suggests.
14. That to which the user of a symbol ought to be referring.
15. That to which the user of a symbol believes himself to be referring.
16. That to which the interpreter of a symbol a. Refers, b. Believes himself to be referring, c. Believes the User to refer.

Interesting part is the book is written in 1923 and thus thereafter a lots of changes there have been in the field of linguistics and a great change in the senses of the words that the authors have used 80 years before. So I have to be careful while reading this and I know my English is not up to the mark.

Wednesday, March 19, 2008

Our Time and Dialectics


আমি দেখেছি কী করে আমার সময়ের মেধাবীরা ভয়ানক উন্মাদনায়, নগ্নতার উন্মত্ত ক্ষুধায় আর কী এক কালো গহবরে নিজেদের ঠেলে দিয়ে ধ্বংস করে ফেলছে অ্যালেন গিন্সবার্গ।

Recently recording of the recitation of "Howl" by Ginsberg himself was found. Howl is the most famous poem of Allen Ginsberg, one of the greatest American poets of the later half of the last century. He wrote "September on Jessore Road" in 1971 during the visit to Calcutta on the refugees of the war of liberation against Pakistan. "I am a stenographer of my mind, I write down what passes through it, not what goes around me. I am a poet"-he said about himself. [Link to the news 1 2]

Sometimes I fear that I am loosing myself in the midst of all the contradictions. They no more appears to me as any synthesis as they are supposed to be. I fear to be broken down and I am too weak to bear the burden. Sometimes I fail to justify what I do, and thats the terrible pain I suffer.

Two poems written in this month, for those who loves me:

(১)

অনেক মৃত্যু দেখা হয় নাই, বিপ্লবীর মৃত্যু, রাজাকার কিংবা
স্বৈরাচারের মৃত্যু; ক্যামোফ্লেজ কিভাবে দেশকে ধর্ষণ
করে
, কয়েকটা চোখের সামনে ঘটলে, স্বহস্তে
দুয়েকটা মারতে পারলে- অনেকই তো মৃত্যু
দেখা হয়, নিঃশব্দ মৃত্যু, স্বাভাবিক মৃত্যু, অপেক্ষার
মৃত্যু
, পানের পিক ফেলতে ফেলতে নোংরা
দেয়াল যারা মুছতে আসে, মুর্দা-ফরাস,জর্দার
ব্যাপারি, টিকটিকির ল্যাজগুলো রেখে দেয় চরসখোরদের
জন্য, ঠান্ডামাথায় তাদের দুয়েকটাকে থেতলে.........

মৃত্যু আরো দেখা বাকী আছে।

(২)

গোধূলিতে উড়ে যায় এক রাশ কাক
বান আসে বেলাইয়ের জলে।


এট্টু দরদের অভাবে
গুপিন গোঁসাইয়ের
বড় নাতি চোর হয়।


তালগাছের মত চোখ দাদাজান
তাও আমরা চামাইরা খাই-বাবার প্রসাদ।


কালাচাঁদের হাবিজাবি শ্লোকগুলি
বুঝাইয়া দিয়া তবে যান।

Friday, February 08, 2008

Art of Presentation

"...The entire universe does not have to take up arms in order to crush man: a whiff of vapour, a drop of water is enough to kill him. But when the universe crushes man, he is still greater than that by which he is killed. For he knows that he dies and is also aware of the advantage which the universe has over him, the universe knows nothing of all these..."


A week ago, me and Uttam went to Kustia to meet Romel. Now I can say that I had a visit of Rabindranath's kuthibari in Shilaydah and the majar of Lalan Shah. Also we had a Sandwip tour last week. My friend Dipu got married on the 28th of January. I went to Narsingdi and almost stayed a week there. Its a pity that i could recall these things and trying to make you understand what I did last days. I can remember a night in Kushtia, when we were playing a game. A game of visualizing the words. Its very simple. Somebody would utter a word and everyone is supposed to narrate the first visual effect that the word creates.

We found that very merely we visualized the same thing, even very common words like "milk" or "president". For example when i visualize President I see the face of H.M. Ershad and C. J. Shahabuddin. If i would have been american that i would have seen Rigan or Bush, may be Clinton.

Actually words are very important when we want to express something or present something. I came across the name of a book "The meaning of the meaning" by I.A.Richards and I am eager to read it.

Saturday, December 15, 2007

My Suicide Note - I

১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭


আমার প্রিয় বন্ধু রোমেল(আহসান) আমাকে একদিন বলেছিলো “Independence is to choose one’s own chain”। ওকে শুধু বলেছিলাম আমি মুক্তি চাই, স্বাধীনতা চাই, চাই সমাধান

কয়েকদিন আগে রাত প্রায় দশটার দিকে মোহাম্মদপুর কবরস্থানে গিয়ে বসেছিলাম দুই বন্ধুর সাথে। সাপের ভয় ছাড়া ছিলো কনকনে শীত। একেকটা কবর একেক রকমের। প্রায় প্রত্যেকটার উপর শায়িত ব্যাক্তির নাম পরিচয় দেয়া। এক বন্ধু বলে উঠলো এরা(মৃত ব্যাক্তিরা) প্রত্যেকেই সত্যটা জানে, যদি সত্য বলে কিছু থেকে থাকে। আমার কাছে সত্যের পাশাপাশি এদের উপলব্ধির ব্যপারটাও সংশয়াপূর্ণ। কারন এখানেই আসছে অস্তিত্বের সংজ্ঞার সত্যতা বা যথার্থতার প্রশ্ন। যদিও কবরস্থানে এর আগেও গিয়েছি, তবু দুটো বিষয় নতুন ভাবে বুঝতে চাইলাম। প্রথমত এই নামগুলির প্রচন্ড অসারতা। দ্বিতীয় যে ব্যপারটা, তা হলো শিশুদের ছোটো কবরগুলি দেখে, একটা কবরের জন্ম-মৃত্যু তারিখ দেখে বুঝলাম, বাচ্চাটা একদিন বয়সে মারা গিয়েছিলো। সেও হয়ত সত্যটা জানে।

মাস কয়েক আগে আমার একটা অদ্ভূত অনুভূতি হয়েছিলো, আমার মনে হতো মৃত্যু হলো সেই রহস্য বা সত্যের উৎস, সেই গুপ্তধন যার শূণ্যতার খোঁজ সবাই জানে, অথচ না জানার ভান করে। মৃত্যু নামক এই নিশ্চিত অনিশ্চয়তাকে ভুলে থাকতে নানা মায়াজাল, নানা প্রেম-আবেগ-যুক্তি-দ্বন্দ্ব-প্রতারণা-অভিনয়-ছলা-কলা-কৌশল ইত্যাদির আশ্রয় নেয়। এই হলো সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে অনিশ্চিত সত্যের নাম। রাস্তায় হাটতে গিয়ে যত পেশার কিংবা যত রকমের মানুষ দেখতাম মনে হতো তারা সবাই নিপুণ অভিনয়শিল্পী, প্রত্যেকেই তাদের এই সত্যোপলব্ধিকে গোপন করছে, কিন্তু কেন?

চেনা যায় না
জানা যায় না
শুধুই হারিয়ে যায়
এই আমারই মত অগুনিত
মুখ, চোখ
বিগত।

তাদের চিহ্নিত করা যায় না,
এলোমেলো হয়ে যায়।

তাদের চেনা যায় না,
তাদের বিশ্বাস করা যায় না,
পাওয়া যায় না তাদের
কাছ থেকেও কোনো সমাধান।

নৈরাশ্য বা হতাশা যাই বলিনা কেন সবকিছুর শুরু আসলে অস্তিত্বকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়েই।

সেই যে প্রাচীন প্রাণের একখানি বীজ
তোমাতে আমাতে ভাগাভাগি-
তারপর অন্ধকার-আলো-অন্ধকার
এখন আমরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি
আমাদের কায়মনে অসংখ্য সত্তার মিছিল
প্রত্যেক হৃদয়ে তবু জাগাতে চায়
এক উচ্চারণ আমি


রোমেলের কথাটা একটু শুধরে দিই “Death unfolds every chain, every truth”

মুক্তি আছে বৈকি!!!!

Friday, December 07, 2007

Khelaghor

খেলাঘর

আমার কৈশোরের একটা স্মৃতি আছে খেলাঘর আসর সংক্রান্ত। কোনো এক শরৎকালের বিকেলগুলিতে মেতে ছিলাম। মফস্বলের সেই অবসর সময়গুলি কতই না মধুর ছিলো। আমরা দল বেঁধে গান শিখতাম চন্দনদার কাছে, চন্দনদা এখন আমেরিকাতে। বাকীরাও প্রায় হারিয়েই গেছে। হারিয়ে গেছে নীল জিন্সের শার্ট পরা শিউলি নামের কিশোরী, যার জন্য আমার বালক বয়সের কিছু আবেগ জমা হয়ে আছে। সুবিনয়কে খুব ভালভাবে চিনতাম না। বন্ধুত্ব, প্রেম, ঈর্ষা সবকিছুই যেন ছিলো খেলা। ছোট্ট একটা মাঠ ছিলো, পাশে রূপাদের প্রকান্ড আমগাছ। এখন কিছুই নেই, খেলাঘর আসরও আর টিকেনি।

শিক্ষায়তন ছাড়া অবধি কিছুকাল আমার ঘোরের মধ্য দিয়ে গেছে। স্বাধীনতার পর্বতসম কর্তব্যবোধের ভারে ন্যুব্জ হয়ে যাচ্ছি। বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যে প্রায় ব্রাত্য কাঙাল-এর মতো অবস্থান আমার। এ মহাজীবন যা ছিলো চিরকাঙ্ক্ষিত, অথচ ঠিক আমিই যেন অপাংক্তেয়। আমি অভিনয় পটু নই, তবে চলতে চলতে অনেকটা পথ পাড়ি দেয়া হয়ে গেছে। বর্তমানকে ধারণ করবার অক্ষমতার সাথে সাথে আবিষ্কার করছি আমার ভয়ংকর একরূপ-যা সচেতন-অসচেতনভাবে আমারই সৃষ্টি। নিজস্বতার অভাব খুবই প্রকট হয়ে ধরা দিচ্ছে প্রায় সবখানে।

“……………………………………..

তোমরা ব্যস্ত, তোমরা ব্যস্ত, তোমরা ব্যস্ত,
তোমরা বড্ড বেশি ব্যস্ত
অথচ আমি তো আজীবন তোমাদেরই দিকে যেতে চাই।
কেন যেতে চাই!
--- (শহীদ কাদরী)।


খেলতে খেলতে কখনো মনে হয়নি পৃথিবীটা কোনো খেলাঘর নয়। এখানে ঈর্ষা, প্রেম, বন্ধুত্ব, ষড়যন্ত্র কতো বাস্তব! রূঢ়তার আঘাতে মুমূর্ষু হয়ে চোখ মেলে দেখি, খেলাঘর ভেঙ্গে গিয়েছে। কতগুলি স্বপ্ন, কতগুলি রোমান্টিক মুহুর্তের ভগ্নাংশ মাত্র অবশিষ্ট। আবার জোড়া লাগাতে হবে, আবার গড়তে হবে এই খেলাঘর।

Tuesday, November 27, 2007

প্রেম

শহীদ কাদরী

"We must love one another or die - W. H. Auden

না, প্রেম সে কোনো ছিপছিপে নৌকা নয়-
...........................................................
মাঝে মাঝে মনে হয় শীতরাতে শুধু কম্বলের জন্যে,
দুটো চাপাতি এবং সামান্য শব্জীর জন্যে
কিংবা একটু শান্তির আকাঙ্ক্ষায়, কেবল স্বস্তির জন্যে
বেদনার অবসান চেয়ে তোমাকে হয়তো কিছু বর্বরের কাছে
অনায়াসে বিক্রি করে দিতে পারি- অবশ্যই পারি
কিন্তু এখন, এই মুহূর্তে, এই স্বীকারোক্তির পর মনে হলোঃ
হয়তো বা আমি তা পারিনা-হয়তো আমি তা পারবো না।"


মাঝে মাঝে আমার মনে হয় উদ্বেগ(despair) আর পরিত্যাগ(abondonment) শব্দ দুটোর অর্থ আমি ঠিক বুঝি নাসমাজের সাথে সঙ্ঘাতগুলোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পরিণতি এজন্য দেয়া হয় না

Saturday, November 17, 2007

Starting Post Graduate Classes



Our country is now in a thrashed condition by "SIDR". What we can do now is to help the affected people. Latest news says, more than two thousand people killed.

From Thursday night there was no electricity and no water in the taps in Dhaka. It was late night of Friday that the transmission line recovered after being damaged by the tornado hit.

Yesterday I started classes of Masters. MSc. in Computer Science & Engineering. I enrolled for 3 courses.
1. Software Quality Assurance
2. Distributed Computing Systems
3. Evolutionary Algorithms

We had a class on SQA(Dr. Mostafa Akbar). After almost 8 months, i had a few of my friends together in a classroom. The other classmates were probably seniors to us. It was a really different experience. After a lots of days i felt that student life is the best part of ours.

Sunday, October 28, 2007

Difficult to find any change in life

Last week we are back from India after a 10 days visit to the Eastern Himalayas(West Bengal n Sikkim). No doubt about those spellbinding mountains with snow-peaks. But did it make any change to my life or my friends? For those days, they were very charming though a little bit cold.



Mirik the wonderful lake, with astonishing reflections of Kanchendzongha on it, then Darjeeling(Queen of hills) blessed with the awesome view of the world's 3rd highest peak all day long, Kalimpong the most beautiful city in that area in beauty of nature and people with mighty Teesta blowing beneath, Gangtok and the rest of the Sikkim with the wonders of Himalays, sacred and restricted place with a huge vertical strive[can not forget those snowy places, the frozen lake, etc], and lastly the best of west bengal "Sandakphu-valley of poisonous plants", heavenly view of Everest(1st-8,848m), Kanchendzongha(3rd-8,586m), Lhotse(4th-8,516m), Makalu(5th-8,485m) together. The afternoon we reached Sandakphu we startled and miss-identified Everest number of times, but when confirmed the feelings was awesome. In the first day at Darjeeling we had no views of the golden ridge. But the next morning the surprisal was to the full of extent at the falling rays of sun on the great "Kanchendzongha". We loved almost everything. Even we loved coming back to Bangladesh with delighted mind.

Now we question ourselves, what change did those 10 days make in our life? Still to find an answer, still a lots of things unanswered...

N.B. The first rays on Kanchendzongha...(Not a quality picture though)

Thursday, April 05, 2007

Be Drunk


Today i was hugely frustrated and i had a bad headache, the poem i am quoting next made me feel easier:


Be Drunk
===============
You have to be always drunk. That’s all there is to it—it’s the
only way. So as not to feel the horrible burden of time that breaks
your back and bends you to the earth, you have to be continually
drunk.
But on what? Wine, poetry or virtue, as you wish. But be
drunk.
And if sometimes, on the steps of a palace or the green grass of a ditch, in the mournful solitude of your room, you wake again, drunkenness already diminishing or gone, ask the wind, the wave the star, the bird the clock, everything that is flying, everything that is groaning, everything that is rolling, everything that is singing, everything that is speaking…ask what time it is and wind, wave, star, bird, clock will answer you: & quot; Its time to be drunk! So as not to be the martyred slaves of time, be drunk, be continually drunk! On wine, on poetry or on virtue as you wish . "

Charles Baudelaire

Wednesday, February 07, 2007

Back from Sundarbans


This was my second visit to Sundarbans, but this time it was much more interesting and full of fun coz of my classmates and friends were with me. We were 51 ppl including 2 of our teachers. Total 4 nights and 3days long stay with this people was really exciting.

In Sundarbans we were about to see a tiger. We heard roars of a tiger(prpbably of cloud in the sky) and some of us saw some yellow strip moving through the woods(what i saw was a deer or nothing). but the most exciting part was the frightening by the event. Hasib sir almost felt his heart and caught the arms of Tanvir and dragged a stick from the arm guards.

Next wonderful thing was the "Kotka" beach. As it was my second visit the beach was no more to the surprisal, but to my friends and with my friends it was the one of the greatest day in my life. The most important thing i suppose was coming back safely.


In the mean time, in Dhaka as you may have noticed huge changes have occured. The arrest of corrupted political leaders by the armed force and other activities by the newly formed caretaker GOVT have certainly put some light at the end of the tunnel.

Please note Sajeeb Wajed Joy's own Blogg(Son of AL's Sheikh Hasina).

pics of sundarbans by Sheetal

Sunday, September 24, 2006

Sonali Danar Chil

This is the famous poem by my favorite poet Jibananda Das from the "বনলতা সেন". I was just stunned when i first read this. Actually all poems of Jibananda are great. They are like one's dreams. The people who can understand the quest of his life can easily enjoy "Jibonanda". Tell me how you liked this one and other poems by him. If you want may I may upload more like this. This is the poem:


হায় চিল

হায় চিল, সোনালি ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে

তুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে-উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে

তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে!

পৃথিবীভ রাঙ্গা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;

আবার তাহারে কেন ডেকে আনো ? কে হায় হৃদয় খুঁড়ে

বেদনা জাগাতে ভালবাসে !

হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে

তুমি আর উড়ে-উড়ে কেঁদো নাকো ধানসিড়ি নদীটির পাশে ।