In 1941, when the Germans seized the Polish town of Drohobycz, Felix Landau, the notorious Gestapo officer in charge of the Jewish labor force, took an interest in Bruno Schulz, a local writer and artist who had submitted samples of his work to the Judenrat in the hope of gaining employment. Landau had an eye for design—after the war, he went on to start an interior-decorating firm in Bavaria—and he commissioned a number of works from Schulz, including a set of murals for his young son's bedroom depicting scenes from fairy tales. In return, Landau supplied Schulz with extra food and with protection that temporarily spared the artist's life. Ultimately, though, Landau's favors contributed to Schulz's death. In November, 1942, Landau killed a Jewish dentist favored by a rival Gestapo officer, Karl Günther. Soon after, on a day that has come to be known as Black Thursday, Günther saw his opportunity for revenge. That morning, a "wild action"—a spontaneous Gestapo shooting spree—broke out. Schulz was not at work but in the ghetto, perhaps getting food in preparation for an escape, which he had planned for that night. According to Schulz's friend Izydor Friedman, who witnessed his death, Günther caught up with Schulz at the corner of Czacki and Mickiewicz Streets and shot him twice in the head. "You killed my Jew—I killed yours," he later boasted to Landau.
২৫ শে ফেব্রুয়ারি এমন একটি ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল এবং আজ তিন দিন পর তা যেজায়গায় এসে দাড়িয়েছে, তাতে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ স্তম্ভিত। তিন দিনেরজাতীয় শোক ঘোষনা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সরকার ওসেনাবাহিনী কাজে নেমে পড়েছে। খুব সংক্ষেপে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ঘটনাবলীর সারহলোঃ - বি ডি আর সদর দপ্তর পিলখানায় বি ডি আর জওয়ানদের সশস্ত্রবিদ্রোহে উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারসহ আনুমানিক দেড় শতাধিকব্যক্তি নিহত।
ঘটনা নির্মম কোনো সন্দেহ নেই। যে কোন হত্যাকান্ডই আমাদের মতো সাধারণমানুষের জন্য আতঙ্কের। পঁচা-গলা-দগ্ধ লাশগুলি যেভাবে উদ্ধার হচ্ছেগণকবরগুলি আর ড্রেনগুলি থেকে, সেই দৃশ্য দুর্বল/সবল হৃদয়ের মানুষের জন্যবিব্রতকর। প্রথমদিন তিনজন বেসামরিক মানুষের নিহত হবার খবর যখন এসেছিল, খেয়াল করলে দেখা যায় তখন মিডিয়ায় বা জনসাধারণের মধ্যে শোকের মাতম শুরুহয়নি, যা এখন আমরা দেখছি। প্রকৃত মৃতের সংখ্যা এবং লাশগুলির অবস্থা সচক্ষেদেখার পর আর সে অবস্থা নেই। সেই তিনজন নিহতের মধ্যে ছিল একজন রিক্সাচালক, একজন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও আরেকটি কিশোর সম্ভবত যার বয়স ছিল১২।
শুরুতেই যেটা আমরা টি ভি চ্যানেলগুলিতে দেখি তা হলো বি ডি আর এর এইবিদ্রোহের যথার্থ কারণ অনুসন্ধানের একটি প্রচেষ্টা। খুব স্বাভাবিকভাবেইমিডিয়া এ কাজ করবে, কিন্তু আবেগের আতিশয্যে কিংবা অন্য কোন কারণে মিডিয়াতেকেউ কেউ একে বিপ্লব বলে আখ্যা দিয়ে দিচ্ছিলেন। যার ফলে জনসাধারণের সমর্থনচলে গিয়েছিল বি ডি আর এর পক্ষে। পরে অবশ্য বিডিনিউজের সম্পাদক নিজে বলেন, “আমরা ক্ষুধার্ত থাকি।” তার মানে মিডিয়া তার সংবাদ ক্ষুধার জন্য এই ধরণেররাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত চরম সংকটময় ঘটনাটিকেও আরেকটু হলে “বাংলাদেশরাইফেলস বনাম সেনাবাহিনী” যুদ্ধের শিরোনাম দিয়েই বসেছিল। গুজবের কমতি ছিলনা এই তিন দিনে। ২৬ তারিখ দুপুরের পর ট্যাঙ্কের ছবি দেখে অনেকে আশঙ্কাকরছিলেন সেনা অভ্যুত্থানের। যাই হোক সরকারের কূটনৈতিক সফলতা হিসেবে এটাকেঅনেকে আখ্যায়িত করছেন, অন্তত আবেদ খান ও তার সমমনা অনেকেই মুখে ফেনা তুলেফেলেছেন এ বিষয়ে, সেদিন সন্ধ্যার মধ্যে বি ডি আর অস্ত্রসমর্পন করে ফেলে।
জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত এ বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব প্রতিরক্ষা ওস্বরাষ্ট্র বিভাগের। তবে সরকার এ কাজে “ব্যর্থ” এই আখ্যা দিচ্ছেন বি ডিনিউজ সম্পাদক। তার মতে, মিডিয়া যে ভুলগুলি(?) করেছে তা সরকার নিয়ন্ত্রণকরতে পারতো। এর পরেই তিনি কিছু উদ্ভট যুক্তি/উদাহারণ টেনেছেন। একই সাথেমিডিয়ের উপর তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রভাব না থাকা এবং রেগুলেটরী ফর্মের কথাউল্লেখ করেছেন। এটা ঠিক যে সরকার ঠিক কতটুকু নিয়ন্ত্রণ করবে তার রূপরেখাসরকার নিজেই নির্ধারণে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। তবে মিডিয়া নিজের দোষস্বীকারের আগেই তথ্যমন্ত্রী টি ভি চ্যানেল মালিকদের ডেকে গতকালই একটিমিটিং করে ফেলেছেন। মিটিং শেষে তার বক্তব্য, “যাতে সবার ভালো হয়...” এইজাতীয়। আবারো আমাদের দেশের একটি কার্যকর তথ্য অধিকার ও প্রবাহ সংক্রান্তনীতিমালার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।
ঘটনার অনুসন্ধান শুরু হবার আগে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে এরকম একটি ঘটনাঘটলো কেন? মিডিয়া আমাদের সাহায্য করেছে। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদেরবিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বি ডি আর এর। যে দুয়েকটা তথ্যমোটামুটিভাবে গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে তা হলো, বি ডি আর এর নিজস্ব জওয়ানদেরপর্যাপ্ত পদোন্নতি ও সুযোগসুবিধার অভাব। তার মানে এই বিষয়ে দীর্ঘদিনেরপুঞ্জিভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এই বিদ্রোহ। কারণ আর যাই হোক ২৫ তারিখ সকালেহঠাৎ করে নিশ্চয়ই ধরণের অগ্ন্যুৎপাত ঘটেনি। অবশ্য এ ছাড়া আরো অনেক কারণথাকতে পারে। যৌক্তিক/অযৌক্তিক এই ধরণের মাপকাঠিকে যাবার আগে আমাদের এইকারণগুলির সবগুলির সন্ধান করা দরকার। অন্তত আশা করি সামনে যে তদন্ত হবেতাতে এসব ব্যাপার থাকবে। তবে এই ধরণের একটি বিশাল ঘটনার অনুমান কি আমাদেরগোয়েন্দা সংস্থাগুলি কোনোভাবেই করতে পারে নি? আজকে এক প্রেস ব্রিফিংয়েসামরিক গোয়েন্দা বিভাগের অফিসারকে এ বিষয়ে তাদের ব্যর্থতা সম্বন্ধেজিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “তার অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে ...” নাকগলান না। তবে প্রয়োজনে যে তারা যত্র তত্র বাঁকা আঙ্গুল পর্যন্ত প্রবেশকরান তা আমরা দেখেছি গত দুই বছরের অনির্বাচিত সরকারের আমলে। বি ডি আর যদিঅন্য কোন প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকে তবে তাতে সেনা কর্মকর্তাদের নিয়োগ না দিলেইহয়। বি ডি আর এর জন্য নিজস্ব নিয়োগ ব্যবস্থার মাধ্যমে কমিসশনড পদে সদস্যনিয়োগের দাবি তো আর আজকের নয়।
আর কি কি কারণ থাকতে পারে? আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের উচ্চপর্যায়েরমহল থেকে এখন একটি শব্দ উচ্চারণ করা হচ্ছে, “ষড়যন্ত্র”। শব্দটি এমনই যে এরসাথে কর্তা সন্ধানের ইচ্ছা শ্রোতার মনে জাগবেই। "তথাকথিত বাম" রাশেদ খানমেনন এই ষড়যন্ত্রকে, “যুদ্ধাপরাধী বিচারের ইস্যু”কে পাশ কাটানোর চেষ্টাএবং এখানে না থেমে, বি ডি আর এর মধ্যে গত কিছু দিনে “লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি” টাকা ছড়ানোর কথা বলেন। এখন কে বা কারা ছড়িয়েছে সেটা বের হয়ে আসলেই হয়। তবেএ ধরণের মন্তব্য তিনি দায়িত্ব নিয়েই বলেছেন আশা করি। ফিলিস্তিন কোনআপ্তবাক্য যেন না হয়। একই প্রসঙ্গে বি ডি আর এর সাবেক মহাপরিচালক আনোয়ারহোসেন বীর প্রতীক বলেছেন, বি ডি আর এর মধ্যে “পূর্বের কোন ক্ষোভ” ছিল না।একটি বেসরকারি টি ভি চ্যানেলে কথাগুলি বলার সময় তিনি বেশ নাটকীয়তা তৈরীকরেন। তার মতে বর্ডারে যত দূর্নীতি সব করে বি ডি আর জওয়ানেরা এবংসেনাবাহিনীর কারণে সেগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে। তার মানে সেনাবাহিনীধোঁইয়া তুলসী পাতা। আবার তিনি ভবিষ্যতে বি ডি আর পুনর্গঠনের সময় যেসেনাবাহিনীরই প্রয়োজন হবে তারও উল্লেখ করেন। তার মানে বি ডি আর এর ক্ষোভেরযদি কোন কারণ থেকেও থাকে তবে তা ভুলে যাবার বা ভুলিয়ে দেবার একটি চেষ্টাচলছে।
আর কে কে ষড়যন্ত্র করতে পারে এই সব বিষয়ে? বহিঃশক্তি? এই বহিঃশক্তির নামযতবারই নেয়া হয় কেমন যেন এক ধরণের রহস্য তৈরী হয় সব ক্ষেত্রেই। অনেকরাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি এ পর্যন্তে অনেক বিষয়েই এই বহিঃশক্তিকে টেনেএনেছেন। একটা জিনিস ভুলে গেলে চলবে না এই বহিঃশক্তি যদি থেকেও থাকে, তবেঘরের শত্রু বিভীষণকে খুঁজে বের করা আগে প্রয়োজন, কারণ তাকে ছাড়াসমুদ্র-বন্ধন বহিঃশক্তির পক্ষে সম্ভব নয়।
টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে আজ দুপুর এর পর থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে সাধারণক্ষমার প্রকৃত অর্থ বোঝাতে প্রধানমন্ত্রীর এক সচিবের(সম্ভবত) প্রেসব্রিফিং। খুব ভালো উদ্যোগ। কিন্তু আমাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বললেন, “যদি” বি ডি আর এর নিজস্ব আইন না থাকে, তবে “নতুন আইন…”। তার মানে সরকারেরএত বড় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাহেবেরঅবস্থা সাধারণ জনগন থেকে ভিন্ন কিছু নয়। নয়ত এই “যদি” থাকতো না। এখানেঅনেকেই আমার প্রতি ছিদ্রান্বেষনের অভিযোগ আনতে পারেন। কিন্তু এত বড় ঘটনাযেখানে সারা দেশবাসী আতঙ্কিত, আমাদের ভবিষ্যতকে এ ব্যাপারে জবাবদিহি করতেহবে, সেখানে আমরা আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তথা আমাদের রক্ষকদের মধ্যে গাছাড়া ভাবখানি কোনোভাবেই সইতে পারিনা। সরকারের এ পর্যন্ত কার্যকলাপকেসন্তোষজনক কিংবা ব্যর্থ কোনোটাই বলার উপায় নেই, কারণ যদিও হত্যাকাণ্ডেরপ্রকৃত রহস্য এমনকি কখন হত্যাকান্ডগুলি সংঘটিত হয়েছে তার পক্ষেও যথেষ্টপ্রমানাদি হাতে নেই, তদুপরি মনে হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে এইরকম একটি সময়েঅন্তত আমরা ঘন্টায় ঘণ্টায় প্রেস ব্রিফিং আশা করতে পারতাম, অন্তত তা হলেপ্রথম দিন মিডিয়ার দায়িত্বহীন আচরণে যদি আদৌ কিছু ঘটে থাকে তার একটাপ্রতিকার হতো। প্রথমদিন দুপুরের আগ পর্যন্ত সরকার প্রায় কিছুই বলেনি। তবেজীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা বি ডি আর এর ভিতরে গিয়েছেন, জিম্মি উদ্ধার করেছেনএ বিষয়গুলির দরকার ছিল।
এরপর আসা যাক আজকের হঠাৎ আটক অবস্থা থেকে বি ডি আর এর সদস্যদের হঠাৎ হাওয়াহয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গটিতে। যতদূর জানা যায় সেনাবাহিনী ঘেরাও এর মধ্যেই এঘটনাটি ঘটেছে। আশা করি এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ সঠিক তথ্যানুসন্ধান করবে।কাউকে বা কোনো গোষ্ঠিকে বাঁচিয়ে দেবার জন্য এ ঘটনাটি ঘটেনি আমরা অন্তত সেইআশাই করবো।
আমাদের জন্য অবস্থাটি এতই শোচনীয় যে, একদিকে আমাদের প্রতিরক্ষারগুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সেনাবাহিনীর এতগুলি কর্মকর্তা ও তাদের পরিজনদের আমরাহারিয়েছি, আবার সেই সাথে সীমান্ত প্রহরী বি ডি আর এর প্রতি তৈরী হয়েছে একধরণের অবিশ্বাস। তবে প্রশ্ন অনেকগুলি। সরকার ও মিডিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক, বি ডি আর এর পুনর্গঠন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, সঠিক কারণ অনুসন্ধান, বি ডি আর জওয়ানদের পালিয়ে যাবার উপায় সন্ধান, গোয়েন্দা সংস্থার ব্যর্থতাইত্যাদি।
আর্মির প্রতি আমাদের একটা ধারণা আছে। বি ডি আর এর প্রতিও কাছাকাছি ধারণা।অনেকে এই সুযোগে সমগ্র বি ডি আর কে দেশের শত্রু, এমনকি হানাদার বাহিনীরসাথে তুলনা করে ফেলছেন। এদেরকে Institutionalized ভেবে আমরাওপ্রতিক্রিয়াশীল আচরণ করছি। এরা সবাই আমাদের মতই দেশের মানুষ। তবে প্রকৃতঅপরাধীদের বিচার আমরা চাই।
য়ামাদের পাঠ্য বইগুলোতে কবিতার যে কদরের বহর ছিল, তাতে এই নাম মনে থাকার কথা না। আমার শুধু দুটো কবিতার কথা মনে ছিল। জাঁহাগীরের আত্মসমর্পণ আর শাহজাহানের মৃত্যুস্বপ্ন। বাঙালি মুসলমান প্রথম আধুনিক কবি শাহাদাৎ হোসেনের জীবনের চরম দুর্ভোগের কারণ ছিল তার দেশ। পাকিস্তান নাকি ভারতীয় ইউনিয়ন। পাকিস্তানের তথাকথিত আদর্শ উজ্জীবিত কবি ঢাকায় এসে পড়েছিলেন ঠিকই কিন্তু তার মন পড়ে ছিল তার গ্রামে, পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাটে। প্রায়ই চলে যেতেন সেখানে। ফলে পাকিস্তানের মহান রাষ্ট্রনায়কেরা তাকে নাগরিকত্ব তো দেয় নি, চাকুরিচ্যুত করে পাঠিয়ে দিয়েছে ভারতে। পাকিস্তানের বন্দনা করে কবিতা লিখেও কাজ হয়নি। ভারতেও অবহেলিত হয়েছেন। মৃত্যুর সময় অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়ার জন্য অর্থও ছিল না।
সম্প্রতি সি পি এম সংখ্যালঘুদের উপর দয়া দেখিয়ে উদ্যোগ নিয়েছে, মুসলমান এ কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালনের।
কোন এক কালের কথা। নগরের নাম ইন্দ্রপ্রস্থ। সেই নগরের পাশে এক নদী। নদীর পাড়ে এক বাড়িতে বাস করেন কবি। আমাদের দেশের বর্তমানের কবি কী করে ভুলে যান। একশ দুশ বছর আগের কবি কী করেছেন তাও ভুলে যান। ভুলে যান বাল্মীকি-কালিদাস-হোমার। সে এক অন্য কালের কথা বলছি। বলছি অন্য এক যুগের কথা। এমনকি সামনের যুগের সাইবার-ওয়েফার-ভার্চুয়াল কবিদের কথাও মনে আনবেন না। তাহলে এ কবি কোন যুগের?
কোন যুগের জানিনা তবে এই কবির কথা বলতে পারি। কবির ঘর আছে। নগরের সকলেই জানে নদীর ওপাশটায় কবির বাস। নগরে যেমন কামারের ঘর, দর্জির ঘর, গোয়ালার ঘর, ধোপার ঘর তেমনি আছে কবির ঘর। এ এমনই এক যুগ। বলবেন এরকম তো আছেই। আমাদের পাড়ায়ও এক কবি আছে। সকলেই চেনে। আমাদের পাড়ায়ওবিভিন্ন পেশার লোক আছে আর কবির ঘর বললেই তো সকলে ঐ চিলেকোঠার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ঈর্ষায়, বিরক্তিতে ভ্রূ কুচকায়। না এযুগের কবি বিরক্তির নয়। এ যুগের কবি ভিন্ন। জেলে যেমন জেলে, তাঁতী যেমন তাঁতী, গোয়ালা যেমন গোয়ালা এ যুগের কবি তেমনি কবি। তাই তার আছে ভিন্ন পরিচয়।
ভাবছেন এ আবার কী কথা? জেলে তাঁতীর মতো কবি? হ্যাঁ ঠিক তাই। এ যুগটাই এমন; কবিরাও যেমন। এই কবি না সিনেমার নায়ক, না বিজ্ঞাপনের মডেল, না বড় কোম্পানীর চাকুরে।
ভাবছেন এওবা কেমন কি। আমাদের আকবর রাজাতো তার সভায় কবি পুষতেন। আমাদের কত বাদশাহ সুলতানের আমলে তাদের দরবারে কবিরা থাকত। কবিদের জন্য ভাতা ছিল, রাজদন্ড ছিলো, কবি-অর্ঘ্য, কত কি!
না আপনাদের ঐসব যুগের কবিদের মতন নয়। যুগটাই অন্য, কবিরাও ভিন্ন। ভাবছেন পেশাদার কবিদের কথা বলছি। ভাববারই কথা। আপনাদের আছে পেশাদার শিল্পী, পেশাদার বৈজ্ঞানিক, পেশাদার শিক্ষক আরো কত কি। পেশাদার বাবা-মা বানানোর আগেই আপনারা পেশাদার কবি বানাবেন, এটা আপনাদের দ্বারাই সম্ভব।
পেশাদার মানুষ যেমন সম্ভব না, তেমনি সম্ভব না পেশাদার কবি।
যে যুগের কথা বলছি, সে যুগে-
কবি সমাজেই আছেন। সমাজের মানুষের মাঝে। ছেলে বুড়ো থেকে সৈন্য-সিপাহী, ঝাড়ুদার- মুর্দাফরাস, এসকর্ট মাদকাসক্ত, সকলের সাথে কবির বসবাস। সবাই কবির কাছে আসেন। জীবনে একবার নয়, বছরে নয় কবি তাদের প্রায় নিত্য প্রয়োজনীয়- যেমন কৃষক-কামার-কুমার। এই আশ্চর্য অনুভুতিময় মানুষেরা নিজেরাই কবির কাছে আসেন। যেমন আমরা যাই, ক্যারিয়ার কনসালটেন্সীর জন্য, উকিল-ডাক্তারের কাছে, ইত্যাদি ইত্যাদি।
সেদিন ওপাড়ার ছেলেটা পঁচা শামুকে পা কেটেছে। সবাই দৌড়ে নিয়ে গেল ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার সেলাই ব্যান্ডেজ করে দিলেন। এরকমই এ নগরের, এই যুগের মানুষেরা দৌড়ে যান কবির কাছে।
আপনারা বলবেন, না আমরা কবির কাছে যাবো না।অন্তত দৌড়ে যাবার তো কথাই আসে না। আমাদের ঘরে যেমন আমরা আয়োডিন, কাঁচি , গজ রাখলে শামুক কাঁটা পা নিয়ে ডাক্তার লাগে না, তেমনি যাবো না কবির কাছে।
আমি বলি কি আমার কথাটা মেনেই নিন। আপনাদের যুগের কথা বলছি না। এ যুগের মানুষ বড় আশ্চর্য অনুভূতির, বড় অদ্ভুত সে দেশ, কবি-কৃতীর দেশ। আপনাদের চেয়ে ঢের বেশি প্রখর তাদের সংবেদন। আপনাদের বড় জোড় রোদ-ঝড়-বৃষ্টি অথবা সুর্যোদয়-সুর্যাস্তে কবিকে প্রয়োজন হয়। বাহুলগ্না প্রেমিকা- একুশে ফেব্রুয়ারি- বৈশাখীমেলা আপনাদের কবিতা যোগানোর দিন। এ যুগ এমনটা নয়।
এ যুগের মানুষের অবিরাম অজস্র অনাবিল অনুভুতি- আর কবিরও অদ্ভুত কাজ। সবগুলি অনুভুতি-সংবেদনের নাম দিতে হয়। তারা আসে। কবি তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। শুনে বোঝার চেষ্টা করেন ঠিক কোন অনুভুতির নাম জানতে তারা এসেছেন। কবির ভান্ডারও অফুরন্ত। একটা না একটা নাম মিলেই যায়। মানুষগুলো সেই নামগুলি শিখে খুশি মনে বাড়ি যায়। অপূর্ব সন্তুষ্টিতে। কবি কাঊকে কোনদিন ফিরিয়ে দেন নি।
আপনাদের তো শত অভিযোগ; বিশেষত কবির বিরুদ্ধে। ঠিক যেমন আপনারা মাছ বাজারে পঁচা মাছ পেলে জেলেকে শাসান, তরকারিতে মশলা কম হলে বাবুর্চিকে, এমনকি নেটওয়ার্ক খারাপ হলে মোবাইল অপারেটরগুলিকে। কবিকে কি আপনারা একই ভাবে দোষেন? মনে হয় না। আপনারা কবিকে চিনলে পরে তো কবির দোষ ধরবেন।
আপনারা বলেন কবি দুর্বোধ্য। অস্পষ্ট। বিভ্রান্তিকর। আমি বলি, আপনাদের এমনিতেই কি বিভ্রান্তির শেষ আছে? ডান বান, পূর্ব-পশ্চিম ঠিকঠাক জানেন তো? অস্পষ্ট আপনাদের আইন। দুর্বোধ্য আপনাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের রীতি-নীতি, এমনকি বিভ্রান্তিকর আপনাদের ভাষাও। এর মাঝে কবি জন্য নতুন কী ভ্রান্তির?
ভাবছেন, আদিখ্যেতা করি কবিকে নিয়ে। তবে সংক্ষেপে বলিঃ
এক যুগের কথা। ইন্দ্রপ্রস্থ নগরের কবি। কবির বাড়ী। বাড়ীর পাশে নদী। কবি একা। কবি একা। কবি একা।
Why do men live? For any purpose or any destination? GOD?? I dont know....
Today I have read a story of Leo Tolstoy named "Father Siorgi" and i found a scrap of mine of 2000, the most devastating year in my life....I cant recall the scrap, no ways. Why I had written that???
here is it :
[বিশ্বাশীনতার মধ্যে থাকার চেয়ে ভ্রান্ত বিশ্বাসকে আকড়ে ধরে বাঁচা শ্রেয়] #ইম্প্রেশন আর্টিস্ট এদগার দেগা(Edgar Degas) তার প্রায় সব ছবি দৈনন্দিন জীবনের দৃশ্য হতেই আঁকতেন। তবে তিনি কখনো সুন্দরী মেয়ের ছবি আঁকতেন না। তার মতে এতে দর্শকেরা ছবির গুনাগুন বাদ দিয়ে মেয়েই দেখতে আরম্ভ করে।
On blue summer evenings, I'll go down the paths,
Getting pricked by the wheats, walking on thin grass:
Dreamer, I'll feel its freshness at my feet:
I'll let the wind bathe my bare head.
I won't speak, I won't think about anything:
But infinite love will rise in my soul;
And I'll go far, very far, as a bohemian,
Into Nature, — blessed as if with a woman.
====================================
This poem – written in March 1870 - was first published in the poems collection entitled Le Cahier de Douai. Rimbaud revised it in his letter to Theodore de Banville (May 24, 1870). Strangely, the then 16 years old young man declares to be 17:
“We are in the months appropriate for love; I am seventeen. The age of hopes and illusions, as they say, — and here that I started, child touched by the Muse's finger, — sorry if it's banal, — to say my good beliefs, my hopes, my sensations, all these poets' things — me, I call this 'spring'.”
Another poet, Felix Leclerc — also songwriter and singer from Quebec, Canada —, adorned this poem in his song called Sensation, which reflects great sensibility.