Saturday, March 23, 2013

প্রভাকরণ ও রুট থ্রি সংক্রান্ত জটিলতা বা পরাবাস্তবতা


ছোটবেলা পড়া ছিল গালিভার্স ট্রাভেলস আর দেখা ছিল ম্যাকগাইভার।তো আমিও একটা দুধর্ষ রোমাঞ্চ গল্প লিখেছিলাম যখন তৃতীয়/চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি।আমার নায়ক আন্দামানের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জাহাজে রওনা দিল। পথে ঝড়-তুফানে কেমন করে সে সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে একটা দ্বীপে গিয়ে ঠেকে।জাহাজ-ডুবি নাকি এমনি করে ভেসে গিয়েছিল মনে নেই, তবে গালিভার্স ট্রাভেলস বলে জাহাজ-ডুবি ই হবার কথা, বিদ্রোহ / অন্য কেস হলে একটা নৌকা অন্তত থাকত। সেই দ্বীপে ঠেকতেই স্থানীয় লোকজন তাকে বেঁধে-ছেদে নিয়ে গেল তাদের ডেরায়। নাহ, জংলি না। আধুনিক অস্ত্রপাতি রাইফেল ইত্যাদি ছিল। জ্ঞান ফিরলে কেমনে কেমনে যেন নায়ক গিট্টু খুলে ঘরের ভেতর পেল এক কেরোসিনের ডিব্বা। ও দিয়ে একটা কেরোসিনের বোমা তৈরী করে ফেলল ম্যাক-গাইভার।প্ল্যান রেডি, বোমা মেরে এই আস্তানা উড়িয়ে দিতে হবে, এরপর নৌকা ভাগিয়ে পলায়ন। গোপনে করতে হবে লোকজন যাতে আগুন ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে। প্ল্যানমাফিক কাজ হচ্ছিল, লোকজন সম্ভবত মারা যায় নি কেউ।আরেকটা গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার মনে আছে, ওই ডেরার মধ্যে নায়ক খুঁজে পেতে কিছু কাগজপত্র পায়, যাতে সে বুঝে ঘাঁটিটা দুধর্ষ তামিল গেরিলাদের। তার মানে, সে ভেসে ভেসে আন্দামান-নিকোবর না গিয়ে শ্রীলংকায় এসে গেছে। প্রভাকরণ ডেরায় ছিল কিনা, বোমার সাথে উড়ে গিয়েছিল কিনা আজ আর মনে পরে না। মনে পরে, কাগজে লেখা ছিল এলটিটিই। আর মনে পড়ে, বোমায় রাজীব গান্ধী উড়ে গিয়েছেন তার কিছুদিন আগে। প্রভাকরণকে নিয়ে আজকের কাগজ বেশ লেখালেখিও করছিল।



একটা স্বপ্নের কথা লিখে রাখি। আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড *** এর নেতৃত্বে বিএনপি কর্মীদের সার্চ পার্টি বের হয়েছে, দেশে চাকমাদের সাথে গৃহযুদ্ধ লেগে গেছে। এক বাড়ির চার তলায় এক চাকমা আস্তানা। সেখানে আমি আর টুকটুকি অবস্থান করছি।চাকমাদের যুদ্ধের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ন অংক মেলানো দরকার।কেমনে কেমনে যেন, আমি সেই অংকের সূত্র/বীজ জানি, বীজ হলো রুট থ্রি এর মান। এই অমূলদ সংখ্যার মান নিয়ে চাকমারা কি জানি একটা করবে। হয়ত ক্যাটাপুল্ট বানানোর জন্য এঙ্গেল হিসাব করবে, কে জানে! তো আমি লুকিয়ে ঐ ডেরার ভিতর। এর মধ্যে *** ভাইয়ের দল এসে হাজির। উদ্দেশ্য চাকমাদের ডেরায় কোনো দেশদ্রোহী ব্যাপার ঘটছে কিনা দেখা, এসেই দেখলেন আমাকে। তার দলের লোকেরা অবশ্য একটু ক্ষেপে ছিল। এই ধরে, এই মারে। কিন্তু *** ভাই তার এই ফেসবুক বন্ধুকে মোটেও সন্দেহ করলেন না, শুধু চোখেমুখে একটা বিব্রত হবার ভঙ্গি করে চলে গেলেন। আর ঘুমের মধ্যে আমি ভাবতে থাকলাম, কি বিভীষণগিরিটাই না হলো! রুট থ্রি এর ভ্যালু বেশ কয়েক ডিজিট সহ তো দিয়েছি ই, সেই সাথে আরো ডিজিট লাগলে তার পুনরুত্পাদনের এলগরিদম বৃত্ত-সমকোণী ত্রিভুজ সবসহ একে দিয়ে দিয়েছি। ক্যাটাপুল্ট!ক্যাটাপুল্ট! এই এলো বলে। আর ক্যাটাপুল্ট এর গোলা এলেই সবাই বুঝে যাবে- বিভীষণ,বিভীষণ!

1 comment:

yasir arafat said...
This comment has been removed by a blog administrator.